May 10

আপনি কি আপনার “Youtube Channel” থেকে “Google Adsense” ব্যাবহার করে উপার্জন করতে চান।

Youtube এ ভিডিও আপলোড করে সহজেই আপনি অর্থ উপার্জন করতে পারবেন। এজন্য আপনাকে কিছু নীতিমালা মেনে চলতে হবে। Youtube এ Adsense ব্যাবহার করে কীভাবে উপার্জন করা যাই, সেই বিষয়টি নিয়ে আপনাদের সামনে আজ হাজির হলাম।

আপনার Adsense এর অ্যাকাউন্ট থেকে Youtube এ একটা Channel তৈরি করবেন।

Adsense অ্যাকাউন্ট সম্পর্কিত অনেক ভাল তথ্য “মাহবুব” ভাই এর প্রোফাইল এ পাবেন।

ইউটিউব এ Partnership  বেবস্থা আছে যা পরিদর্শীত (View)এর উপর ভিত্তি করে আপলোড করা ভিডিও থেকে আপনাকে একটা অর্থ দেয়, যেটা আপনি আপনার Adsense account এ প্রতি মাসে পাবেন।আপনি আপনার Adsense account এ কোন নির্দিষ্ট মাসের প্রয়োজনীয় তথ্য দেখতে পাবেন যার ফলে আপনি সহজেই এনালিটিক্স করতে পারবেন। Adsense আপনাকে আপনার ভিডিও এর ads Slot এর উপর পূর্ণ ক্ষমতা দেই যার ফলে আপনি Channel এর ভিডিওগুলোতে ads নিয়ন্ত্রণ করার সুযোগ পাবেন।

এবার আপনার প্রশ্ন থাকতে পারে যেঃ কিন্তু কিভাবে, আমি কি আমার account এ YouTube থেকে earnings করতে পেরেছি? আমি কি YouTube এ Partner হতে পারব?

আপনার জন্য আমার  উত্তরঃ হ্যাঁ, অবশ্যই আপনি পারবেন কিন্তু কতকগুলো বাদ পড়া সিস্টেম কে নিয়েই এগোতে হবে।তবে YouTube এ Partner হওয়া কোন গুপ্তরহস্য না, কিন্তু হাতের মোয়াও না।

অনেকে বলতে পারেন যে, কাজের কথা না বলে শুধু সংজ্ঞা নিয়েই তুলা-ধোনা করচি কেন? কারন বর্তমান বিশ্বে মোট ৬৫০০ এর মত YouTube Partner আছে, যেটার মধ্য প্রায় অর্ধেকই আমেরিকান আর বাকি গুলো অন্যান্য দেশ এ। সুতরাং আপনি কি পারবেন সেই দলের একজন হতে? কিছু লোক বলতে পারে যে, আপনার Channel এ subscribers এর সংখ্যা হাজারের উপরে হওয়া লাগবে কিন্তু একথা সত্য যে, বিশ্বে কয়েক লক্ষ Channel আছে যাদের Channel এ হাজারের subscriber তো সবার কেন YouTube এর Partnership নেই?

Well, এখন আমি নিচে কর্ম পদ্ধতি সম্পর্কে Explain করছিঃ

  1. প্রথমে gmail এ একটা mail অ্যাকাউন্ট খুলুন।
  2. নতুন অ্যাকাউন্ট দিয়ে Blogspot.com (Blogger)এ একটা সাইট করুন।
  3. আপনার সাইট এ ১০ টার মত পোস্ট করুন।
  4. Google Terms Condition এর বাইরে পোস্টগুলো করবেন না, যেমনঃ কপি কনটেন্ট, Copyrighted কোন কনটেন্ট, সব ধরনের মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য নয় এমন কনটেন্ট পোস্ট করবেন না।
  5. পোস্টগুলো Social Bookmarking সাইট এ শেয়ার করুন।
    পোস্টগুলোর Review তৈরি করুন।
  6. অন্যান্য blog এ comment করুন যে ব্লগগুলোতে আপনার সাইট এর এড্রেস দিতে পারবেন।
  7. R.S.S সাবমিসন করুন।
  8. যেহেতু Sub Domain সেক্ষেত্রে Directory Submission করা কষ্টসাধ্য হবে তারপরও যে Directory  সাইট গুলোতে Submission করা সম্ভব সেগুলোতে Submission করুন।
  9. সাইট এ প্রতিদিন ৫০০০ এর মত Page impression হলে Adsense এ apply করুন।
  10. Adsense এ যাবতীয় Information সঠিক দেবেন কারন, সামান্যতম ভুলের কারনে Account টি Disapproved হতে পারে।
  11. Adsense এ অ্যাকাউন্ট Verify করুন।

May 10

লাগবে একটি ওয়েব সাইট! তার আগে জানা লাগবে কি কি লাগবে। পুরো একটি মেগা টিউন!

ব্যবসার আকার ছোট হোক আর বড় হোক। এখন এমন একটা সময় যে ওয়েব সাইট বাধ্যতামূলক। অনেকেই মনে করেন যে বাংলাদেশের মত দেশে ওয়েব সাইটের দরকার হয় না। কিন্তু আমি বলব না, ওয়েব সাইট দরকার হয়। ওয়েব সাইট থাকার যে কত সুবিধা তা বলে শেষ করার মত না। মাইক্রোসফটের মত কম্পানির ওয়েব সাইট থাকাতে যতটুকু সুবিধা, ছোট্ট একটা রেস্টুরেন্টের নিজের একটা সাইট থাকাতেও কিন্তু প্রায় সমান সুবিধা। সম্পূর্ণ বিষয় হল কমিউনিকেশন। ধরে নিন আমি কোন ভাবে আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নাম শুনেছি। কিন্তু বিস্তারিত কিছুই জানি না। এমনকি এটাও জানি না যে আপনা প্রতিষ্ঠান ঢাকার কোথায় আছে। এখন আমি কি করব?

ঢাকার প্রতিটি এলাকায় এলাকায় গিয়ে মানুষের কাছে আপনার প্রতিষ্ঠানের নাম বলে খুজে বেড়াব? নাকি গুগলে সার্চ দিব? প্রথমটি করলে আপনি আমাকে ডাম্ব বলবেন নিশ্চিত। কিন্তু এখন চিন্তা করেন। আপনার প্রতিষ্ঠানের যদি ওয়েব সাইট নাই থাকে, তাহলে আমি কি করতে পারি? আমার মনে হয় প্রতি ১ কোটি লোকের মধ্যে একজনও আপনাকে ঐ ভাবে খুজে বেড়াবে না। সুতরাং ওয়েব সাইট দারকার। ঠিক এই ভাবেই হাজারটা উদাহরণ দেওয়া যায়।

যাই হোক। আসল কথায় আসি। ওয়েব সাইট দরকার বুঝলাম, কিন্তু কি কি লাগবে? সেটা জানতে হলে পুরো লেখাটা পড়তে হবে। লেখাটা একটু বড় মনে হতে পারে, কিন্তু কাজের জন্য অবশ্যই পড়তে হবে। অনুরোধ থাকবে পড়লে পুরাটা পড়েন, না পড়লে পড়েন না। কারণ আমি ভাল কোন লেখক নই, লেখা এখনও গুছিয়ে উঠতে পারি না, এমন এমন যায়গায় দরকারী কথা বলে ফেলি যে আপনি একটু একটু করে পড়লে তা মিস করতে পারেন।

প্রথমেই লাগবে একটি ডোমেইন। আর সাথে লাগবে হোস্টিং। তারপর আসবে ডিজাইনের বিষয়। এক এক করে সব বলি। প্রশ্ন আসতে পারে ডোমেইন কি। সোজা উত্তর অনলাইনে আপনার ওয়েব সাইটের এড্রেসটাই হল আপনার ডোমেইন। আপনি যেমন ব্রাউজারে www.facebook.com লিখেন, এটা একটা ডোমেইন। আর হোস্টিং হল একটা ওয়েব সাইটে যা যা দেখতে পান, তা কোন না কোন কম্পিউটারে রাখা, আর ঐ কম্পিউটারের হার্ডডিস্কটাকেই বলা হয় আপনার হোস্টিং। আর ডিজাইন নিয়ে কিছু বলার আছে বলে মনে করিনা।

ডোমেইন কিনতে কি কি মাথায় রাখতে হবে:

ডোমেইন একটি ওয়েব সাইটের জন্য অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। একটি ডোমেইন নেবার সময় আপনাকে বেশ কয়েকটি জিনিষ মাথায় রাখতে হবে। আসেন লিষ্ট আকারে দেখি।

১. নাম:

ডোমেইন নামটা অবশ্যই ইউজার ফ্রেন্ডলি হতে হবে। যাতে করে সহজে সবাই মনে রাখতে পারে। এমন একটা নাম চয়েজ করবেন না যাতে ব্যবহারকারীর বানান মনে রাখতে গেলে নিজের নাম ভুলে যায় অবস্থা হয়। যদিও এটি আপনার প্রতিষ্ঠান নির্ভর হবে। আর অনেক সময় বাংলা নামের ইংরেজী বানান করতে গেলে সমস্যা হয়, তখন অন্তত ১০-২০ জনকে দিয়ে তারা কি বানান লিখে সেটা দেখেন। যেমন বাংলা “তোমাকে” কথাটাই ইংরেজীতে অনেকে tomake আবার অনেকে tomaka লিখে। কিন্তু আপনার ফোনেটিকসের দিকে বেশি নজর দিতে হবে। আরও একটি বিষয় থাকে ডোমেইন কেনার সময়, সেটা হল খুব সম্ভবনা থাকবে যে আপনি আপনার কাঙ্খিত ডোমেইন পাবেন না। এক্ষেত্রে আমার নিজের বিজনেস সাইটের কথাই বলি, আমার খুব ইচ্ছা ছিল বিজনেস সাইটের নাম দিব Site Name কিন্তু ডোমেইন নিতে গিয়ে দেখি এটি কেউ একজন কিনি নিয়েছেন। তাই অগ্যতা আমাকে নিতে হল Site Name BD(http://sitenamebd.com)।

এখানে অনেকে হয়ত বলবেন যে www.site-name.com অর্থাৎ একটি ড্যাস ব্যবহার করলেইতো হত। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলেন এটি না করতে। কারণ বেশির ভাগ মানুষই এই ড্যাস মনে রাখতে পারে না। যার কারনে আপনা এড্রেসে আসার পরিবর্তে অন্য সাইটে চলে যেতে পারে। যেমন প্রথম আলোর ওয়েব সাইটের কথাই ধরা যাক। তাদের এড্রেস Prothom-alo এটার এলেক্সা র‍্যাঙ্কিং বাংলাদেশে ৭। কিন্তু Prothomalo নামটার র‍্যাঙ্কিং কিন্তু ২০০০+ যা অনেক ওয়েব সাইট চিন্তাও করতে পারেনা। যার র‍্যাঙ্কিং যত ছোট সংখ্যা, তার কিন্তু তত ভাল অবস্থান। অনেকে হয়তে বলবেন ২০০০+ তো অনেক। কিন্তু একটু চিন্তা করুন। প্রতিদিন কত ভিজিটর ভুলে ঐ সাইটে চলে যায়। আবার একটা হাস্যকর বিষয় দেখেন, প্রথম আলোর যারা নিয়মিত পাঠক, তারা ইলেক্ট্রনিক ভার্সনের জন্য ভিজিট করবে eprothom-alo.com এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু প্রথম আলো কর্তৃপক্ষ ইলেক্ট্রনিক ভার্সনের জন্য ঠিক করেছেন eprothomalo.com বুঝেন অবস্থা। এর কুফল কি তা আমি প্রায় ৪-৫ মাস ভোগ করেছি। যতবারই ভিজট করি, ততবারই বলে যে Forbidden। প্রায় ৪/৫ মাস পর আবিস্কার করলাম যে সমস্যাটা কোথায়।

আবার আমার যেই ডোমেইনটার কথা বলছিলাম, সেটি কিন্তু একেবারে শেষে একটি বিডি লাগিয়ে চালান হচ্ছে (sitenamebd.com)। এটির সুবিধা হল অনেক ডোমেইন সহজেই পাওয়া যায়, যেহেতু বিদেশীরা এই বিডি দিয়েতো আর ব্যবহার করবে না। কিন্তু সমস্যাটাও ঠিক এখানে, যখনই আপনি বিডি আনছেন, বিষয়টা কিছুটা আবার দেশ কেন্দ্রিক হয়ে যায়। যদিও এখন এই যুগে সেটা আর সমস্যাই না। তবে যদি বিডি লাগাতেই চান, সব থেকে সহজ সমাধান হল .বিডি ডোমেইন নেওয়া। এটা কিভাবে নিতে হয় তার আলোচনা পরে করব। সেটা আর এক বড় ইতিহাস!

২. ডোমেইন কন্ট্রোল প্যানেল:

কেন লাগবে? করণ খুবই ছোট। ১. যদি আপনি হোস্টিং কম্পানি চেইঞ্জ করতে চান, তবে অবশ্যই আপনাকে নেম সার্ভার চেইঞ্জ করতে হবে, আর তার জন্য ডোমেইন কন্ট্রোল প্যানেল মাস্ট। ২. যদি কখনও ফিল করেন যে আপনি ডোমেইন প্রোভাইডার কম্পানি চেইঞ্জ করবেন, তাহলে লাগবেই লাগবে। এখানে উল্লেখ্য হল মাস্ট এবং লাগবেই লাগবে কথা দুটি। প্রথমটি থেকে পরেরটি জরুরী। ডোমেইন ট্রান্সফারের জন্য লাগে অথেন্টিকেশন কি, যেটা আপনার কন্ট্রোল প্যানেল থেকেই পেতে পারবেন।
আবার উল্লেখ্য যে আমরা এখানে শুধু ডোমেইন নিয়ে কথা বলছি, হোস্টিং নিয়ে নয়, সুতরাং তার মানে দাড়ায়, ডোমেইন কন্ট্রোল প্যানেল এবং হোস্টিং কন্ট্রোল প্যানেল আলাদা। আপনার নিজের ডোমেইন হোস্টিং নেবার সময় এটি অবশ্যই অবশ্যই অবশ্যই অবশ্যই অবশ্যই অবশ্যই নিয়ে নিবেন। চারবার কেন অবশ্যই লিখলাম তা বুঝবেন এখনই।

যেহেতু আগেই বলেছি আপনার হাতে যদি আপনার ডোমেইন কন্ট্রোল প্যানেল না থাকে তবে ট্রান্সফার করতে পারবেন না। পারবেন না বলা ভুল, আসলে ট্রান্সফার করতে হলে প্রোভাইডারের কাছে দৌড়াতেই হবে। আর বাংলাদেশে বেশির ভাগ সময় দেখা যায় প্রোভাইডর এটা করতেই দেন না, কারণ দিলেই তার সব কর্তৃত্ব শেষ। কি হতে পারে? ধরেন আপনার একটি ডোমেইন আছে, যার ডেইলি ভিজিটর ৫০০০, নিশ্চই এই পরিমান ভিজিটর আপনি একদিনে গড়েন নি। কিন্তু আপনার প্রোভাইডার এটার লোভ সামলাতে পারলেন না, এবং আপনাকে পরবর্তিতে ডোমেইন দিলেন না, হাজারটা কারণ দেখালেন। তখন কি করবেন? কিছুই করার নাই। প্রশ্ন করতে পরেন যে আসলেই কি এমন হয়? আমি বলব অবশ্যই হয়, আমার মোট ক্লায়েন্টের প্রায় ৭% লোক এই সমস্যার করনেই এখন আমার কাছ থেকে সার্ভিস নিচ্ছেন। তাদের সবার একই অভিযোগ। আরও একটা কারণ বলি, ধরেন আপনার ডোমেইন এবং হোস্টিং প্রোভাইডার একই বেক্তি, এখন দেখলেন যে উনার হোস্টিং সার্ভিস ভাল না, তখন আপনি যদি হোস্টিং চেইঞ্জ করতে চান, তা হলেও আপনার কন্ট্রোল প্যানেল লাগবে। সুতরাং যদি আপনার একটি ওয়েব সাইট থেকে থাকে, বা নিতে চান, তবে অবশ্যই অবশ্যই কন্ট্রোল প্যানেল বুঝে নিন। নাহলে বিপদ যে কোন সময় হতে পারে।

৩. দাম দাম দাম:

ফ্রি এবং কম দামী পন্যের জন্য আমাদের দরদ যে কতটা উতলে পড়ে তা বলার অবকাশ রাখে না। তবে মনেই থাকে না যে এই উতলে পড়া দরদ যখন চুলার আগুনের মধ্যে পড়ে, তখন সেই আগুনকেই তা নিভিয়ে ফেলে, আর তারপর দরদের ছিটেফোটা টুকুও থাকে না। উপরের লেখায় এই পর্যন্ত খুব করে বাংলাদেশীদের দোষ দেখান হল। কিন্তু না, শুধু বাংলাদেশীরাই না, পৃথিবীর প্রায় সব খানেই এই ধরনের সমস্যা আছে। যেমন বলি ইয়াহুর কথা। ইয়াহুর মত কম্পানি যদি মানুষের সাথে উল্টা পাল্টা করতে পারে, তবে আমরাতো ছোট মানুষ।

ইয়াহোর স্মল বিজনেস সাইটে ওরা ডোমেইন বিক্রি করে। দেখেন তার অবস্থা। http://smallbusiness.yahoo.com/domains/pricing এখানে একটু লক্ষ্য করলেই দেখবেন যে এরা ৯.৯৫ ডলারে ডোমেইন বিক্রি করছে, সমস্যা কোথায়? একটু নিচে তাকান, একটা কথা লেখা আছে, After term expires: $34.95/year মানে কি দাঁড়াল? মানে দাড়াল আপনি যদি এক বছর থেকে পাঁচ বছরের জন্য কিনেন, তবে তার পর থেকে আপনাকে ঐ ডোমেইনের জন্য দিতে হবে ৩৪.৯৫ ডলার করে। বুঝেন অবস্থা, আমি ডোমেইন বিক্রি করি ১১ ডলারে, এখনও যেই দাম, ১০ বছর পরেও সেই দাম (যদি কিনা ভেরি সাইন দাম বাড়ায় আর কি)। কিন্তু ইয়াহু? ইয়াহু আরও একটা কাজ করে, সেটা হল বছরে দুইবার তারা এই ডোমেইন গুলিই বিক্রি করে ৩ ডলারে, কিন্তু বছর শেষ হলেই….। অনেকেই ডোমেই এর দাম ৫০০-৬০০ টাকা দেখেই টাস্কিত হন, তারা দৌড়ান ঐখানেই, কিছুই চিন্তুা করেন না। এখন থেকে একটু ভাববেন আশাকরি। আর হ্যাঁ আবারও বলছি, ডোমেইন কন্ট্রোল প্যানেল ছাড়া ডোমেইন ফ্রিতে দিলেও নিবেন না।

হোস্টিং কিনতে কি কি মাথায় রাখতে হবে:

এবার আসেন দেখি হোস্টিং কেনার সময় কি কি মাথায় রাখতে হবে।

১. দাম দাম দাম!:

প্রথম বিষয় দাম? না হয়ত প্রথম বিষয় দাম হত না, কিন্তু যারা অল্প অল্প করে পড়ছেন তাদের জন্যই আগে বলা। আচ্ছা দামের বিষয়ে বলার আগে একটু বেসিকস বলি। হোস্টিং হল পৃথিবীর যেকোন প্রান্তে রাখা একটি কম্পিউটার (সার্ভার) এ রাখা হার্ডডিস্ক যাতে আপনার ওয়েব সাইটের কন্টেন্ট থাকে। এই সার্ভার গুলি ২৪/৭ চলতেই থাকে, এরও প্রোসেসর, র‍্যাম এবং অন্যান সব কিছু্ই লাগে। বরং একটি সাধারণ কম্পিউটার থেকে বেশিই লাগে। আর যেটি সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ তা হল এর একটি হাইস্পিড ইন্টারনেট কানেকশন লাগে। স্বাভাবিক ভাবে সার্ভার গুলিতে ৫০০ জিবির হার্ডডিস্ক থাকে। তবে কেউ কেউ এটা বাড়িয়ে ১টেরা পর্যন্ত নেয়, যা আসলেই একটা ক্ষতির বিষয়।

একটু চিন্তা করেন, এত সব কিছু দেবার পর যদি কেউ আপনাকে বলে যে ১/২ জিবি হোস্টিং মাত্র ৩০০ টাকা, বিষয়টা কেমন হবে? মোটেই ভাল বিষয় না। একারণে দামের দিকে ছুটবেন না। কম দামে কিনলে বিপদে পড়তেই হবে। লিখে রাখতে পারেন। হোস্টিং এ ওভার সেলিং এর একটা বিষয় আছে। ৫০০ জিবি হার্ডডিস্কের বিপরিতে যে কেউ গ্রাহকের কাছে ৫০০০ জিবিও বিক্রি করতে পারে, যেটা সকল গ্রাহকের উপরেই প্রেসার দেয়। এটা করা হয় যেই গ্রাহক তার নিজের সম্পূর্ণ স্পেস ব্যবহার করতে পারছে না তার স্পেস অন্যকে ব্যবহার করতে দিয়ে। কিন্তু এতে করে এক সার্ভারে অনেক সাইট হওয়াতে পরে তা পড়ে রিসোর্সের প্রবলেমে। যার কারনে প্রায়ই সার্ভার ডাউন থাকে।

২. আপটাইম:

সবাই বলে ৯৯.৯৯% আপটাইম। এটা নিয়ে আসলেই কিছু বলার নাই। সবাই বলে, কিন্তু দেয় খুব কম লোক। বোঝারও কোন উপায় নাই, সুতরাং এটা কিছুটা আপনার কপালের উপরেই নির্ভর করে। তবে কিছু কিছু প্রতিষ্ঠান ফ্রি ট্রায়েলে ব্যবস্থা রাখে। যেমন আমি নিজে যে কাউকে আমার সার্ভিস নেবার আগে ১ মাসের ফ্রি ট্রায়েলের জন্য রিকোয়েষ্ট করি, যাতে তাদের বুঝতে সুবিধা হয়।

৩. ব্যান্ডওয়াইথ:

একটি সাইটের অনেক কিছুই নির্ভর করে ব্যান্ডওয়াইথের উপরে। আপনার সাইটে একজন ভিজিটর ঢুকলে আপনার যেই কটি ফাইল তিনি একসেস করবেন, সেটি সার্ভার থেকে তার ব্রাউজারে আসবে, আর এই যে ফাইল ট্রান্সফার হল, এতেই আপনার ব্যান্ডওয়াইথ যায়। আপনার সাইটের ব্যান্ডওয়াইথ যত বেশি হবে তত ভাল। স্বাভাবিক ভাবে হোস্টিং সার্ভিস গুলি আপনার কেনা হোস্টিং এর ১০ গুন ব্যান্ডওয়াইথ প্রোভাইড করে। তবে ১০-১৫ গুন এর মধ্যে থাকাই বেটার। এর বেশি গেলে কিছুটা ধরেই নিতে পারেন যে মিথ্যা বলা হচ্ছে। আর কম হলে তো বিপদ! সেটা নিশ্চিই বলা লাগবে না।

৪. আনলিমিটেড!:

হোস্টিং এর ক্ষেত্রে আরও একটা বড় ভাওতাবাজী হল আনলিমিটেড সার্ভিস। অনেক নাম করা কম্পানি আনলিমিটেড সার্ভিস দিয়ে থাকেন, কিন্তু চিন্তা করেন, আপনার বাসার কম্পিউটারে কি আনলিমিটেড হার্ডডিস্ক বসাতে পারেন? যদি পেরে থাকেন, তবেই ঐ কম্পানিও পেরেছে। আর না পেরে থাকলে? ঐ কম্পানিও পারে নি। এটা এক প্রকার শুভঙ্করের ফাঁকি। যে কোন প্রতিষ্ঠান যারা আনলিমিটেড সার্ভিস প্রোভাইড করে, তাদের শুধু একটা কথা বলবেন, তা হল ওয়ার্ড প্রেস.কম বা ব্লগস্পট.কম এর মত একটি সার্ভিস চালু করতে কি আপনাদের আনলিমিটেড যথেষ্ট? দেখবে উল্টা দৌড় দিবে। তখন বলবে না, আপনাকে ডেডিকেটেড সার্ভার নিতে হবে, আরও এটা সেটা। আমার কথা যদি সব আনলিমিটেডই হয়, তাহলে কেন আমি ডেডিকেটেড সার্ভারের মত লিমিটেড জিনিষে যাব?

৫. সাপোর্ট সাপোর্ট সাপোর্ট:

অন্যতম গুরুত্ব পূর্ণ একটি বিষয়। দুনিয়ার সব কম্পানি বিক্রির সময় বলে ২৪/৭ সাপোর্ট! কিন্তু কাজের ক্ষেত্রে? বাংলাদেশের বড় দুইতিনটি কম্পানিকে দেখেছি ২৪/৭ সাপোর্ট লিখে তার নিচেই লিখে রাখে কলিং টাইম সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা। তাহলে কি মিথ্যা বলছে? না, কখনই না। আসলে আপনি সাপোর্ট লেখাটা দেখে ঝাপায় পড়েন, কিন্তু কি সাপোর্ট? স্বাভাবিক ভাবে তিন রকম সাপোর্ট থাকে: ১. ফোন ২. চ্যাট ৩. মেইল। ১. ফোন সাপোর্টে ফোন করে হেল্প নিতে পারেন। ২. চ্যাট সাপোর্টে আপনি সাইটের চ্যাটে গিয়ে কথা বলতে পারেন, যদি কেউ অনলাইনে থাকে আর কি। ৩. মেইল পাঠিয়ে রাখলেন পরে সেটা অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। সুতরাং সাপোর্টির বিষয়টি আগে থেকেই জেনে নিবেন।

৬. সার্ভিস:

জেনে নিন মেইল, ডোমেইন, পার্কড ডোমেইন, এফটিপি, মাইএসকিউএল এর একাউন্ট কতটি করে দিবে। এটা গুরুত্বপূর্ণ। তবে মেইল বেশি নিলে হোস্টিং স্পেসও বেশি নিতে হবে। কারণ মেইল গুলি সব আপনার হোস্টিংয়েই থাকবে। সুতরাং তা হোস্টিং এর জায়গা খাবে।

উপেরের সব বিষয়গুলিই মাষ্ট দেখার বিষয়। এ ছাড়া আরও অনেক কিছু থাকে। তবে তা সাধারণ ওয়েব সাইটের জন্য প্রযোজ্য নয় বলেই দিলাম না।

আসেন এবার দেখি কি করে .বিডি ডোমেইন নিতে হবে:

প্রথমে বলি এই .com.bd, .net.bd,. .org.bd ইত্যাদি এর বিষয়ে কিছু খুটিনাটি তথ্য। যা আপনার কাজে দিবে।

  • ১. .com.bd, .net.bd,. .org.bd ইত্যাদি ডোমেইন নেম রেজিষ্ট্রেশন একমাত্র বিটিসিএল করে থাকে। অবশ্য এ বিষয়ে অন্য কেউ হয়ত আপনাকে সাহায্য করতে পারে, কিন্তু মূল কাজ বিটিসিএল’ই করবে। অন্য কেউ নয়।
  • ২. .com.bd, .net.bd,. .org.bd ইত্যাদি ডোমেইন নেম রেজিষ্ট্রেশন করলেই দেওয়া হয় ২বছরের জন্য, এবং এর পর থেকে প্রতি বছর আপনাকে রিনিউ করে নিতে হবে।
  • ৩. এই .com.bd, .net.bd,. .org.bd ইত্যাদি ডোমেইন নেমের ক্ষেত্রে কোন ডোমেইন কন্ট্রোল প্যানেল বিটিসিএল দেয় না।
  • ৪. .com.bd, .net.bd,. .org.bd ইত্যাদি ডোমেইনের ক্ষেত্রে আপনাকে হোস্টিং কম্পানির সাথে আগে থেকেই কথা বলে রাখতে হবে, কারণ ফরম পুরণের সময় আপনাকে ঐ কম্পানির নেমসার্ভার দিতে হবে, না হলে পরবর্তিতে পাল্টানোর জন্য দরখাস্ত করতে হবে। যা কমপক্ষে ২ ওয়ার্কিং ডে নিবে।
  • ৫. পরবর্তি কাজের সুবিধার জন্য আপনাকে অবশ্যই আপনার ডিমান্ড নেট সংরক্ষণ করতে হবে। না হলে একটু সমস্যা হতে পারে। কারণ বিটিসিএল থেকে দেওয়া এটাই আপনার একমাত্র ডকুমেন্ট। ডোমেইন নিজে রেজিষ্ট্রেশন না করিয়ে যদি অন্য কাউকে দিয়ে করিয়ে নেন, তবে অবশ্যই আপনার ডিমান্ড লেটার আপনি সংগ্রহ করে নিবেন।
  • ৬. ফর্ম জমা, ডিমান্ডনোট নেয়া, টাকা জমা দেয়া, ডিমান্ডনোটের কপি জমা দেয়া শুধুমাত্র কারও উপস্থিতিতেই হতে পারে, চিঠি বা মেইলের মাধ্যমে সম্ভব নয়। আপনি যদি ঢাকার বাইরের হন, তবে আপনাকে পর্যাপ্ত সময় নিয়ে আসতে হবে।
  • ৭. অনেকেই এগ্রিমেন্ট কপি না পড়েই সাইন করেন। এটা মোটেও উচিত না। দয়া করে হলেও একবার পড়বেন, মাত্র ৪ পৃষ্ঠা।
  • ৮. ডোমেইনের নাম অবশ্যই এমন হতে পারবে না যা কিনা সরাসরি কোন প্রোডাক্ট, খেলা, পেশা ইত্যাদির নাম হয়। যেমনঃ ডাক্তার, রাইচ, স্কুল ইত্যাদি। এবিষয়ে আরও পড়ুনঃ http://whois.btcl.net.bd/faq_dotbd.php
  • ৯. ডোমেইন শুধু মাত্র .bd হতে পারবে না। .com.bd, .net.bd, .org.bd ইত্যাদি এমন হবে।

এবার আসুন কি করে আপনি পেতে পারেন আপনার কাঙ্খিত .com.bd, .net.bd,. .org.bd ইত্যাদি ডোমেইন।

এর জন্য প্রথমে আপানাকে জেনে নিতে হবে যে আপনার কাঙ্খিত ডোমেইনটি ফাকাঁ আছে কিনা। অর্থাৎ আপনার আগেই কেউ কিনে রেখেছে কিনা। সেটা জানতে এখানে ক্লিক করুন। http://whois.btcl.net.bd:8080/dotbd/index.jsp যদি আপনার কাঙ্খিত ডোমেইনটি ফাকাঁ থেকে থাকে, তাহলে আপনাকে বিটিসিএল এর এই ফর্মটি ডাউনলোড করতে হবে। http://whois.btcl.net.bd/download/dotBD-Registration-Form2.pdf এবং সাথে সাথে এই এগ্রিমেন্ট ফর্মটিও ডাউনলোড করতে হবে।http://whois.btcl.net.bd/download/dotBD-agre.pdf এবার ডোমেইন রেজিষ্ট্রেশন ফর্ম এবং এগ্রিমেন্ট ফর্ম সতর্কতার সাথে পুরোন করুন।

এবার এই কাগজ আপনাকে ঢাকার মগবাজারস্থ টেলিফোন ভবনে নিয়ে যেতে হবে। এটি অন্য কোন অফিসে গেলে হবে না। এখানে রিসিপশনে বললেই হবে, তারা আপনাকে কোথায় যাতে হবে তা বলে দিবে। এবার সব কাগজ জমা দিলে পরবর্তি ১/২/৩ দিনের মধ্যে আপনাকে আবার ঐ একই অফিস থেকে একই কর্মকর্তার কাছ থেকে ২কপি ডিমান্ড নোট নিতে হবে, এবং সেটি নির্দষ্ট ব্যাংকে জমা দিতে হবে। ব্যাংকের ঠিকানা ডিমান্ড নোটেই দেওয়া থাকবে।

টাকা জমা দিয়ে ডিমান্ড নোটের এক কপি ঐ কর্মকর্তার কাছে জমা দিতে হবে। ব্যাস এবার কাজ শেষ। ডিমান্ড নোট দেবার পর ১/২/৩ দিনের মধ্যে আপনার ডোমেইন এক্টিভ হবার কথা। না হলে ঐ অফিসে গিয়ে খোজঁ নিয়ে আসুন।

খরচঃ

১. প্রথমবার রেজিষ্ট্রেশন করাতে ২বছরের জন্য ১,৫০০ টাকা পড়বে। (প্রতি বছর নয়, একসাথে দুবছরের জন্যই)।

২. রিনিউ করাতে প্রতি বছর পড়বে ৫০০ টাকা। (তৃতীয় বছর থেকে।)

সর্তকতাঃ

ফর্মে ভূল থাকলে তা ঐ ভাবেই লিপিবদ্ধ হবে, এবং ঠিক করতে হলে দরখাস্ত করে নিতে হবে।
যারা ঢাকার বাইরে থাকেন তাদের জন্য এটি যেহেতু সমস্যা, আপনার ঢাকায় অবস্থিত কোন প্রতিষ্ঠান থেকে এই সার্ভিস নিতে পারেন।

অনেক প্যাঁচ প্যাঁচ করে ফেললাম। সবাই ভারো থাকবেন।

May 10

The Internet is the way to get earn online blogging tips

A blog starts to earning  when advertisements pour in. This is possible only if the content being presented is popular enough in attracting advertisers. Advertisement at popular blogs can be the key for them to get noticed by potential consumers. This fact can be cashed by blog owners to earn a handsome sum of money via their blogs, by simply using how to earn online blogging tips.

This is a popular way of advertising fashion related stuff as well. Popular bloggers are always welcome to owners of such products. They are offered flat pays for writing in guest columns in fashion magazines of repute. They may even earn free stuff along with front rows at major events. These handy earn online blogging tips can prove to be beneficial for every individual.

Incoming search terms:

  • earn online
  • tips to earn online
  • earn
  • earn online blog
  • earn images
  • tips to earn from online
  • methods to earn online blogs
  • internet earning from blogging
  • earnonline blogger
  • digital advertising related blog

Older posts «

26 march liberation day of Bangladesh